প্রধান নিউজ
দেশে আবারও ষড়যন্ত্র হচ্ছে, দাঁতভাঙা জবাব দেয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী যে সাহাবির তিলাওয়াত শুনে অশ্রুসিক্ত হয়ে যেতেন মহানবী (সা.) ক্যাস্টর অয়েলের ৫ বিস্ময়কর ব্যবহার প্রযুক্তিনির্ভর সিনেমায় সিনথিয়া তাহসিফ হত্যা মামলা: তৃতীয় দফা রিমান্ড শেষে কারাগারে দীপ বাংলাদেশ ব্যাংক ও মার্কেন্টাইল ব্যাংকের মধ্যে ২০০০ কোটি টাকার চুক্তি স্বাক্ষর সাইবারট্রাক উৎপাদন বন্ধের ইঙ্গিত ইলন মাস্কের যুদ্ধের শুরুর তুলনায় ইরানের সামরিক বাহিনী এখন ‘আরও শক্তিশালী’: সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ধামরাইয়ে মানবেতর জীবনযাপন করা সেই প্রবীণ দম্পতির পাশে প্রশাসন ওপার থেকে বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করে দেশ অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে ফ্যাসিবাদীরা: সপু
রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:০২ অপরাহ্ন

চাঁদের রহস্যময় গহ্বরে অভিযান চালাবে নাসা

প্রতিনিধির নাম : / ৩৪ Time View
প্রকাশকাল : শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬

সুপারস্টারনিউজ তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক : চাঁদের বুকে লুকিয়ে থাকা রহস্যময় গহ্বর বা পিটগুলোর ইতিহাস ও ভূগর্ভস্থ গঠন উন্মোচনে এক অনন্য অভিযানে নামছে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। চাঁদের প্রাচীন আগ্নেয়গিরি অঞ্চলের গভীরে কোনো বিশাল লাভা টিউব বা ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গ লুকিয়ে রয়েছে কি না, তা খুঁজে বের করতেই মূলত এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে মহাকাশ অভিযানের সময় নভোচারীদের জন্য সুরক্ষার প্রাকৃতিক আশ্রয়স্থল খুঁজে বের করার পাশাপাশি চাঁদের প্রাচীন আগ্নেয়গিরির ইতিহাস সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এই মিশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।

নাসার দেয়া তথ্য অনুযায়ী, নতুন এই উচ্চাকাঙ্ক্ষী মিশনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে চাঁদের মারিয়াস হিলস পিট বা মারিয়াস হিলস গহ্বরে বিস্তারিত গবেষণা চালানো। প্রাচীন এক আগ্নেয় অঞ্চলে অবস্থিত এই বিশাল গহ্বরটির গভীরতা প্রায় ৩৪ মিটার বা ১১১ ফুট এবং এটি চওড়ায় ৬৫ থেকে ৯০ মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। এর আগে কৃত্রিম উপগ্রহের তোলা ছবিতে এই গহ্বরটির অস্তিত্ব নিশ্চিত করা গেলেও এটি মাটির নিচে কোনো বড় সুড়ঙ্গ বা গুহার সাথে যুক্ত রয়েছে কি না, সে বিষয়ে বিজ্ঞানীদের কাছে এখনো স্পষ্ট ও পর্যাপ্ত কোনো তথ্য নেই।

প্ল্যানেটারি সায়েন্স ইনস্টিটিউটের নেতৃত্বে পরিচালিত ‘জিমলি’ নামের এই মিশনে ব্যবহার করা হবে আধুনিক মাল্টিসেন্সর পদ্ধতি। গবেষণার কাজের সুবিধার্থে সরঞ্জাম হিসেবে এতে যুক্ত থাকবে গ্রাউন্ড-পেনিট্রেটিং রাডার, সিসমিক বা ভূকম্পন সেন্সর এবং অভিকর্ষ পরিমাপক যন্ত্র বা গ্র্যাভিমিটার। এর পাশাপাশি বিশেষ ক্যামেরার সাহায্যে চাঁদের উপরিভাগ এবং রহস্যময় গহ্বরটির উন্মুক্ত দেয়ালগুলোর স্পষ্ট ছবি তোলা হবে। গবেষকেরা জানান, গ্রাউন্ড-পেনিট্রেটিং রাডারের মাধ্যমে চাঁদের মাটির নিচের অদৃশ্য কাঠামো শনাক্ত করা সম্ভব হবে এবং সিসমিক সেন্সর ব্যবহার করে শিলার ধরন, বৈশিষ্ট্য ও বিভিন্ন স্তর সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য সংগ্রহ করা হবে।

মহাকাশ বিজ্ঞানের এই নতুন দিগন্ত নিয়ে প্ল্যানেটারি সাইন্স ইনস্টিটিউটের পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আমান্ডা হেনড্রিক্স জানিয়েছেন, এতদিন ধরে যেসব বৈজ্ঞানিক প্রশ্নের উত্তর কেবল কক্ষপথ থেকে খোঁজার চেষ্টা করা হচ্ছিল, সেগুলো এবার সরাসরি চাঁদের মাটিতে নেমে অনুসন্ধান করা যাবে। একই সঙ্গে প্রকল্পের গবেষক ও বিজ্ঞানী পুটজিগ জোর দিয়ে বলেছেন, অ্যাপোলো নভোচারীদের ইতিহাস সৃষ্টিকারী অভিযানের পর এবারই প্রথম চাঁদের মাটিতে উৎসভিত্তিক সিসমিক পদ্ধতি প্রয়োগ করা হতে যাচ্ছে। এই যুগান্তকারী প্রকল্পের হাত ধরে চাঁদের ভূগর্ভস্থ গঠন ও বৈশিষ্ট্যগুলো আরও নিখুঁত ও নির্ভুলভাবে উন্মোচিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানীরা।
সুপারস্টারনিউজ/এআর


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category