প্রধান নিউজ
দেশে আবারও ষড়যন্ত্র হচ্ছে, দাঁতভাঙা জবাব দেয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী যে সাহাবির তিলাওয়াত শুনে অশ্রুসিক্ত হয়ে যেতেন মহানবী (সা.) ক্যাস্টর অয়েলের ৫ বিস্ময়কর ব্যবহার প্রযুক্তিনির্ভর সিনেমায় সিনথিয়া তাহসিফ হত্যা মামলা: তৃতীয় দফা রিমান্ড শেষে কারাগারে দীপ বাংলাদেশ ব্যাংক ও মার্কেন্টাইল ব্যাংকের মধ্যে ২০০০ কোটি টাকার চুক্তি স্বাক্ষর সাইবারট্রাক উৎপাদন বন্ধের ইঙ্গিত ইলন মাস্কের যুদ্ধের শুরুর তুলনায় ইরানের সামরিক বাহিনী এখন ‘আরও শক্তিশালী’: সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ধামরাইয়ে মানবেতর জীবনযাপন করা সেই প্রবীণ দম্পতির পাশে প্রশাসন ওপার থেকে বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করে দেশ অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে ফ্যাসিবাদীরা: সপু
রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৭ অপরাহ্ন

জুমার নামাজের কোনো রাকাত না পেলে কি চার রাকাত পড়তে হবে

প্রতিনিধির নাম : / ৩৪ Time View
প্রকাশকাল : বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬

সুপারস্টারনিউজ ধর্ম ডেস্ক : প্রশ্ন: কয়েক দিন আগে আমাদের মসজিদের ইমাম জুমার নামাজের মাসআলা বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, কেউ যদি ইমামের সঙ্গে জুমার নামাজের কোনো রাকাত না পান, তাহলে ইমামের সালাম ফেরানোর পর তাকে চার রাকাত নামাজ আদায় করতে হবে।

এ নিয়ে আমাদের মধ্যে দ্বিধা তৈরি হয়েছে। জানতে চাই, ইমাম সাহেবের কথা কি সঠিক? জুমার নামাজের কোনো রাকাত না পেলে কি চার রাকাত আদায় করতে হবে?

উত্তর: কোনো ব্যক্তি জুমার নামাজে ইমামের সঙ্গে এক রাকাতও না পেলেও শেষ বৈঠকে শরিক হতে পারলে ইমামের সালাম ফেরানোর পর দাঁড়িয়ে দুই রাকাত নামাজ আদায় করবেন।

চার রাকাত আদায় করবেন না। হানাফি মাজহাবের অধিকাংশ ফকিহ এ মত গ্রহণ করেছেন।

এ বিষয়ে শুবা (রহ.) বলেন, سَأَلْتُ الْحَكَمَ وَحَمَّادًا عَنِ الرَّجُلِ يَجِيْءُ يَوْمَ الْجُمُعَةِ قَبْلَ أَنْ يُّسَلِّمَ الإِمَامُ؟ قَالَا: يُصَلِّيْ رَكْعَتَيْنِ

অর্থ: আমি হাকাম ও হাম্মাদ (রহ.)-কে এমন ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম, যিনি জুমার দিন ইমামের সালাম ফেরানোর আগে নামাজে শরিক হন। তারা উভয়ে বললেন, তিনি দুই রাকাত নামাজ আদায় করবেন। (মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবা, বর্ণনা ৫৩৯৮)

উল্লেখ্য, এ বিষয়ে আরেকটি মতও রয়েছে। সে মত অনুযায়ী, জুমার নামাজের কোনো রাকাত না পেলে ইমামের সালাম ফেরানোর পর চার রাকাত আদায় করতে হবে। সম্ভবত আপনাদের ইমাম সাহেব এই মতটির কথাই বলেছেন।

তবে হানাফি মাজহাবের অধিকাংশ ফকিহ প্রথম মতটি গ্রহণ করেছেন। এ মতের ওপরই ফতোয়া দেওয়া হয় এবং আমাদের অঞ্চলেও সাধারণত এ অনুযায়ী আমল করা হয়ে থাকে।

তাই এ বিষয়ে মাসআলা বর্ণনার সময় স্বীকৃত মত ও প্রচলিত আমলের বিষয়টি বিবেচনায় রাখা উচিত, যাতে সাধারণ মুসল্লিদের মধ্যে অযথা বিভ্রান্তি তৈরি না হয়।

সূত্র: মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবা, বর্ণনা ৫৪০০; কিতাবুল আসল, ১/৩১৩; শরহু মুখতাসারিত তাহাবি (জাসসাস), ২/১১৮; আল-আসরার (দাবুসি), ২/৬৭; উমদাতুল ফাতাওয়া, পৃষ্ঠা ১০৬; ফাতহুল কাদির, ২/৩৬; রদ্দুল মুহতার, ২/১৫৭
সুপারস্টারনিউজ/এআর


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category